দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পেপ গার্দিওলার দীর্ঘ এক দশকের সফল অধ্যায় শেষে নতুন মৌসুমে সিটির দায়িত্ব নেওয়া এনজো মারেসকার জন্য শুরুটা চ্যালেঞ্জিং হলেও মাঠের পারফরম্যান্সে তার প্রভাব পড়তে দেননি শিষ্যরা। প্রথমার্ধে পোর্তোর গোলরক্ষক দিয়েগো কস্তা একাধিক দারুণ সেভ করে হালান্ডকে আটকে রাখলেও দ্বিতীয়ার্ধে আর রক্ষা পাননি।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে পর্তুগিজ ক্লাব পোর্তোর মাঠে গিয়ে স্বাগতিকদের ২-০ গোলে হারিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। দলের এই জয়ে বড় অবদান রেখেছেন আর্লিং হালান্ড। জোড়া গোল করে ম্যাচের মূল নায়কও হয়েছেন এই নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার।
বিরতির পরপরই আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজের নিখুঁত ক্রস থেকে দুর্দান্ত হেডে সিটিকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন হালান্ড। পিছিয়ে পড়ে সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে আক্রমণে ওঠে পোর্তো। তবে সিটির রক্ষণ ও গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মার সতর্কতায় স্বাগতিকদের কোনো প্রচেষ্টাই গোলের দেখা পায়নি।
ম্যাচের যোগ করা সময়ে পোর্তোর ম্যাচে ফেরার সব আশা কার্যত শেষ করে দেন হালান্ড। এবার রায়ান আইত-নুরির বাড়িয়ে দেওয়া বল ধরে ঠান্ডা মাথায় জালে জড়িয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন তিনি। তাতেই ২-০ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করে সিটি।
এই জোড়া গোলের মাধ্যমে চ্যাম্পিয়নস লিগে ৫৯ ম্যাচে হালান্ডের গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৯টিতে। একই সঙ্গে সিটির ইতিহাসে ১৬৭ গোল নিয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় তিন নম্বরে উঠে এসেছেন তিনি।
ম্যাচ শেষে নিজের অনুভূতি জানিয়ে হালান্ড বলেন, ‘সবচেয়ে বড় মঞ্চে আমাদের ওপর চাপ থাকে। আমাদের কাজ ছিল সেটা সামলে নিজেদের দায়িত্ব পালন করা। আজ আমরা সেটাই করেছি। এই ম্যাচগুলো আপনাকে জিততেই হবে, না হলে হঠাৎ করে চাপ চলে আসে। তারপর কী হবে, কেউ জানে না।’
এমএস/